আসসালামু’য়ালাইকুমহুজুর হুরমতে মুছাহারা সম্পর্কে জানার পর থেকে মায়ের পাশে দিয়ে যেতেও ভয় লাগে।একদিন আমার জ্বর আসে, তো সন্ধ্যায় আমি বিছানায় বসে আছি এমন সময় মা গায়ে হাত দিয়ে দেখতে আসে জ্বর এখন কেমন। তখন আমার হুরমতে মুছাহারার কথা মনে পড়ে যায়, এবং আমি বলতে থাকি মোটামুটি এমনটা যে , দেখা লাগবেনা জ্বর কমে গেছে, এভাবে বলে বলে বাঁধা দেওয়ার চেষ্টা করি এবং ভীষণ ভয় পেয়ে যাই, কিন্তু মা তবুও কপালে, হাতে এবং পায়ে (আমি দেখতে মানা করতে ছিলাম বলে দ্রুত কয়েক সেকেন্ডেই স্পর্শ সরিয়ে নিয়ে ছিল) হাত দিয়ে দেখে বলে জ্বর কমেনি পুরোপুরি। উক্ত সময় আমি প্রচন্ড ভয় পেয়ে যাই এবং ভাবতেছিলাম হায় হায় যদি শাহাওয়াত এসে যায় তবে তো সর্বনাশ।এ অবস্থায় মনে নানান বাজে চিন্তা ও আসতে থাকে যা বলা যায় ইচ্ছার বিরুদ্ধেই।তখন পুরুষাঙ্গের দিকে খেয়াল করেছিলাম, যতদুর মনে আছে লিঙ্গ পুরোপুরি দারায়নি আর নিস্তেজ অবস্থা থেকে কোন পরিবর্তন হয়েছিল কিনা তা সঠিকভাবে বলতে পারছিনা, একদিকে অন্তরে ভয়, চিন্তা তাছাড়া পুরুষাঙ্গ লুঙ্গির ভেতর ছিল এ অবস্থায় পুষাঙ্গের সঠিক অবস্থা বুঝতে পারিনি তবে নিস্তেজ অবস্থা থেকে কোন পরিবর্তন হলে হতেও পারে।এরপর রাতে মা আবার জ্বর দেখতে আসলে আমি বালিশ থেকে উঠে সরে যাই যেন স্পর্শ করতে না পারে।পরদিন সকালে ঘুম থেকে উঠার সময় মা আবার কপালে হাত দিয়ে দেখে জ্বর কমছে কিনা , এইসময় তেমন কোন অনুভূতি হয়েছিল বলে মনে পরছে না।তবে সন্ধ্যার ঘটনা টি সারাক্ষণ ভাবাচ্ছে, চিন্তা করতে করতে পাগল অবস্থা কিন্তু কোন সমাধান পাচ্ছিনা।হুজুর দয়া করে যদি একটু দ্রুত জানাতেন যে এই ক্ষেত্রে হুরমতে মুছাহারা সাব্যস্ত হয়ে গেছে কিনা? *অনুরোধ: অনুগ্রহ করে উত্তর টি gmail এ দিবেন এবং আমার প্রশ্ন টি আপনার ওয়েবসাইটে যোগ কইরেন না* عفوا، هذه المدخلة موجودة فقط في البنغالية.
১২/১৩ (বয়স অনুমান করা সম্ভব হচ্ছে না) বয়সের একজন ছেলে তার চাচিকে ঘুমন্ত অবস্থায় স্তনে হাত উত্তেজনার সাথে, ইচ্ছাবসত, দেয়ার ফলে কি হুরমত সাব্যস্ত হবে? ২) যেহেতু বয়স অনুমান করা যাচ্ছে না তবে প্রবল সন্দেহ ১২/১৩ এর মাঝেই এর বেশি হবে না। সেক্ষেত্রে তার নাতনি কে কি বিবাহ করা যাবে? ৩) যদিও বয়স বের করা সম্ভব হয় এবং তা ১৪ কিংবা বালেগ হওয়ার পর হয়, সেক্ষেত্রে শরিয়াহর অজ্ঞতা বসত স্পর্শ করার ফলেও কি এ বিধান সাব্যস্ত হবে? এক্ষেত্রে কোনো কাফফারা দিয়ে কি তার নাতনি কে বিবাহ করা যায়েজ হবে? ই-মেইলে উত্তর দিলে ভালো হয়। عفوا، هذه المدخلة موجودة فقط في البنغالية.
আসসালামুয়ালাইকুম শায়েখ দয়া করে অবশ্যই আমার প্রশ্নের উত্তর দিবেন এক ভাই অনেক টেনশনে আছে প্রশ্নের উত্তর পাবার জন্য। শায়েখ আমার এলাকার একজন ভাই বিয়ের আগে তার নিজের ঘুমন্ত মায়ের শরীরে উত্তেজিত হয়ে স্পর্শ করেছিল নাউযুবিল্লাহ। যদিও তখন তার মধ্যে হুরমাতে মুসাহারা সম্পর্কে কোনো ধারণা ছিল না। সেই ভাই কিছুদিন আগে তার আপন খালাতো বোনকে (তার মায়ের আপন বোনের মেয়েকে) বিবাহ করেছে।সে কয়েকদিন আগে হুরমাতে মুসাহারা সম্পর্কে জানতে পারে এতে সে অনেক চিন্তিত যে তার বিবাহ সহিহ হয়েছে কিনা।সে জানতে চায় তার নিজের মায়ের শরীরে এরকম উত্তেজিত হয়ে স্পর্শ করায় কি তার নিজ খালাতো বোনের সাথে (ছেলেটির মায়ের আপন বোনের মেয়ে) বিয়ে সহিহ হয়েছে নাকি বিয়ে হারাম হয়ে গেছে?২/ শায়েখ আর একটি প্রশ্ন স্পর্শের মাধ্যমে হুরমাতে মুসাহারা সাব্যস্ত হলে একটি ছেলের ক্ষেত্রে যাকে স্পর্শ করেছে তার কোন কোন উধ্বর্তন ও অধস্তন আত্মীয়ার সাথে বিবাহ হারাম হয়ে যায়? শায়েখ দয়া করে লেখাগুলো ভালো করে পড়ে অবশ্যই উত্তর প্রদান করে উপকৃত করবেন বুঝতেই তো পারছেন এক ভাইয়ের সংসার টিকে থাকার বিষয়। عفوا، هذه المدخلة موجودة فقط في البنغالية.
আসসালামুয়ালাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ, বাসায় আমাদের স্বামী স্ত্রীর মধ্যে আমার স্ত্রীর বিভিন্ন সাংসারিক চাহিদার বিষয়ে কথা কাটাকাটি হচ্ছিল। তো কানের কাছে ঘেনর ঘেনর বিরক্ত লাগছিল। হঠাৎ মুখ থেকে বের হলো তুই বাড়িত যাবিগা (কারণ বাড়িতে থাকলে ঝগড়া হয় না এই উদ্দেশ্যেই বলা)।কথাটা বলার পর আমিই আশ্চর্য হয়েছি এটা কি বললাম,যেহেতু হঠাৎ মুখ থেকে বের হয়েছে তাই মনে কোনই নিয়ত ছিলনা এট আমার দিল বলে)। বলার পর ভয়ে ভয়ে সাথে সাথে আমি মোবাইলে সার্চ করলাম এই কথায় কোন সমস্যা হলো কিনা? দয়া করে উত্তর জানাবেন। জাজাকাল্লাহ। عفوا، هذه المدخلة موجودة فقط في البنغالية.
আমার বয়স ১৮,, আমি একজন মেয়ে,, আমরা তিন বোন। আমার বাবা বাইরে থাকার কারণে আমাদের মা আমাদেরকে মানুষ করেছেন ছোট থেকে,, আমাদের পরিবারের সকলের সম্পর্ক খুব ভালো। এমনিতে কোন পারিবারিক কলহ নেই।। তবে আমার মা আমাদেরকে অনেক বেশি শাসন করতে চান। আমি আমাদের তিন বোনের মধ্যে বড়। দেখা গেল যে ছোটরা কোন ভুল করেছে,, এর পরিপ্রেক্ষিতে আমি যদি তাদেরকে কোন শাসন করে থাকি। আমার মা এসে উল্টো আমাকে অপমান করে দেয়। এবং তাদেরকে প্রশ্রয় দেয়। যেকোনো কথাবার্তা তেই গালিগালাজ করে। আসলে আমার মা চায় যে আমি সবকিছুই তার মনের মত করি। কিন্তু আমি তা মানতে নারাজ। সব সময় তো তার মত মানা যায় না। যেমন আমি যদি একটু গোসলে যেতেও দেরি করি তাহলে দেখা যায় আমার মা বলা শুরু করে যে সন্তানকে মানুষ করতে পারি নাই। আমি মা হিসেবে ব্যর্থ। যেগুলো খুবই অযৌক্তিক কথা। এরকম ছোট ছোট যে কোন বিষয়েই সে অতিরিক্ত বাড়াবাড়ি করে। তাকে কেউ বুঝালেও সে বোঝেনা। এমনকি আমার বাবা বুঝালেও না। আমাদের তিন বোনের মধ্যে সবসময় তুলনা করে। কার কোনটা ভালো কার কোনটা খারাপ এরকম।। এগুলো খুবই বিরক্তিকর লাগে এবং কষ্টকর। আমার বোনেরাও বড় হচ্ছে এবং দিনদিন তাদের কাছে ব্যাপারগুলো খুবই কষ্টদায়ক হচ্ছে। কিন্তু তাকে বুঝানোর কোন উপায় নেই। সে আমাদের পড়ালেখা নিয়ে অনেক বেশি সিরিয়াস। সারাদিন খালি পড়াশোনা কর পড়াশোনা কর পড়াশোনা কর। আমাদের মনের মত কিছুই করতে দিতে চায় না। আমাদের মা আমাকে খুবই ভালোবাসেন,, তবে তার সবকিছুতে অতিরিক্ত বাড়াবাড়ি আমাদের জন্য মানসিক চাপের কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে।। বিশেষ করে তার কথাবার্তা খুবই জঘন্য পর্যায়ের। যেকোনো ছোট বিষয়ে খুবই ছোট করে কথা বলে। এবং অপমানজনকভাবে কথা বলে। এবং আমাদের যে দোষ গুলো থাকে সেগুলো বারবার সামনে এনে এবং বাইরের মানুষের সামনে এনে অপমান করে। এখন আমি বড় হয়েছি আমার নিজের কিছু ইচ্ছা থাকতেই পারে সেগুলো যদি আমার মায়ের সাথে না মিলে,, তাহলে কি তার বিরুদ্ধে কাজ করা যাবে কিনা?? ইসলামী ক্ষেত্রে কি বলে?? عفوا، هذه المدخلة موجودة فقط في البنغالية.