আস্সালামু আলাইকুম, আমাদের এলাকায় এক মেয়েকে কালো যাদু করে বাসা থেকে ভাগিয়ে নিয়ে- মেয়ে পক্ষের কাউকে না জানিয়ে বিয়ে করে, এই বিয়ে কি হয়েছে ? পরবর্তিতে মেয়ের পরিবার জানতে পেরে মেয়েকে নিয়ে আসে এবং আস্তে আস্তে মেয়ে স্বাভাবিক হলে মেয়ে আর ঐ ছেলের কাছে যেতে চায় না। (উল্লেখ্য যে, ছেলের মা জীনের মাধ্যমে কালো যাদু করে এমনকি ঘরে মনসা সাপ এর মুর্তি আছে)। পরবর্তীতে যাতে ছেলের মা যাদু করে মেয়েকে নিয়ে যেতে না পারে তার জন্য কি করার দরকার, আর এখানে আল্লাহ তায়ালার হুকুম কি ? عفوا، هذه المدخلة موجودة فقط في البنغالية.
আসসালামু আলাইকুম। অাপনার মাদ্রাসায় যাকাত নেয়ার জন্য গোরাবাফান্ড আছে কি? থাকলে তা কিভাবে দিবো। বিশেষ করে বিকাশ নাম্বার হলে ভালো হয়। আর উল্লেখ করবো কিভাবে যে এটা এই বাবদ টাকা তা জানালেও কৃতজ্ঞ হব। عفوا، هذه المدخلة موجودة فقط في البنغالية.
আসসালামু আলাইকুম একবার এক মেয়ে অন্য এক ছেলের সাথে ভেগে যায়, তারপর তার পিতা-মাতা তাকে অনেক মারধর করে এবং পরবর্তীতে অঙ্গীকার করে যে, এরকম আর হবে না। কিন্তু দুঃখজনক ভাবে সে ৪ বছর (১ম বার ভাগে ১৪ বছর বয়সে এবং ২য় বার ১৮ বছর বয়সে) পর সেই ছেলের সাথে আবার ভেগে গিয়ে বিয়ে করে (মেয়ের মা-বাবা বিয়েতে মোটেই রাজী ছিল না কিন্তু ছেলের পিতা-মাতা রাজী ছিল এবং ছেলেরা একক পক্ষ বিয়ে করায়)। মেয়ের মা-বাবা ছোট থেকে এত কষ্ট করে মেয়েকে বড় করলেন আর শেষমেষ এই মা-বাবার জন্য এত বড় আঘাত যা সহ্য করার মতো নয়। কারণ উক্ত পরিবারটি ইসলামিক আইন অনুযায়ী পরিচালিত হওয়ার চেষ্টা করছে। একদিকে মানুষের কটুক্তি যে- বলে হুজুরদের মেয়ে ভেগে যায়। উক্ত ছেলের পরিবার মোটই ভাল নয় যেকোন মুহুর্তে মেয়েটিকে তালাক/বাপের বাড়ী পাঠিয়ে দিতে পারে। আমার প্রশ্ন হলো- এত বড় আঘাত সত্তেও যদি মেয়েটি বাবার বাড়ী আসে তাহলে মেয়েটিকে ঘরে ঢুকতে না দেয়ায় কোন অসুবিধা হবে কি ? কারণ মা-বাবার ইচ্ছা ঐ মেয়েটির সাথে আর কোন সম্পর্ক রাখবে না। عفوا، هذه المدخلة موجودة فقط في البنغالية.
আমার এক পরিচিত ভাই নিজের বউকে মোবাইলে রাগবশত বলেছে,” আমি তোমাকে তালাক দিলাম। কোন সংখ্যা বলেনি।।। সে সোমালিয়া তে থাকে।। কয়েকদিন পর বাড়ী যাবে। ঘটনাটি প্রায় ৩ মাসের বেশী সময় আগের। এখন এই অবস্থায় কয় তালাক পরেছে? কি করণিয়? عفوا، هذه المدخلة موجودة فقط في البنغالية.
[প্রশ্নের উত্তরটা একটু তাড়াতাড়ি দিলে চির কৃতজ্ঞ থাকবো, আল্লাহ তায়ালা আপনাকে উত্তম প্রতিদান দান করুন] আস্সালামু আলাইকুম, ফতোয়ায়ে রহমানিয়ায় ২য় খন্ডে ১৩২ পৃষ্ঠায় আছে- মেয়ে ভেগে গিয়ে বিয়ে করলে, কুফূ বজায় না থাকলে বিবাহ হবে না। আমার এক আত্মীয় (মেয়ে) এক ছেলের সাথে ভেগে গিয়ে কিছুদিন আগে বিবাহ করে, কিন্তু পিতা-মাতা জানার পর তার মেয়েকে নিয়ে আসে এবং ছেলেকে তালাক দিতে চায় এবং পিতা-মাতা মেয়েকে বুঝালে মেয়েও তালাক দিতে রাজি হয়। উক্ত ছেলে নামাজ-রোজা তো পরেই না বরং আরো নেশা করে, কিন্ত মেয়ে নামাজ পরে রোযা রাখে। উক্ত ফতোয়ার আলোকে তাদের বিবাহ তো হয় নাই, যদি বিবাহ না হয় তাহলে তো আর তালাক দেয়ার প্রয়োজন নেই। যেহেতু উক্ত বইতে লেখা আছে যে উক্ত বই ফতোয়া দেয়ার জন্য নয়, তাই আপনার স্মরনাপন্ন হলাম। عفوا، هذه المدخلة موجودة فقط في البنغالية.