আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ, হুজুর, ইসলামী শরিয়তের আলোকে একটি অত্যন্ত সংবেদনশীল দাম্পত্য বিষয়ের সুনির্দিষ্ট ও চূড়ান্ত ফায়সালা কামনা করছি। দয়া করে স্বামীর মানসিক অবস্থা এবং মনের ভেতর নিয়তটি যেভাবে বারবার হওয়া—সেই তীব্রতার বিষয়টি গভীরভাবে বিবেচনা করে সঠিক সমাধান জানিয়ে উপকৃত করবেন। ঘটনার বিবরণ ও পারিপার্শ্বিক অবস্থা: এক স্বামী ও স্ত্রীর মধ্যে তীব্র পারিবারিক ঝগড়া ও কথা-কাটাকাটি চলছিল। রাগের চরম মুহূর্তে স্বামী তার স্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে মুখে সুনির্দিষ্টভাবে মাত্র একবার একটি কেনায়া (ইঙ্গিতসূচক) বাক্য উচ্চারণ করে। বাক্যটি ছিল: “অন্য কোনো ছেলে দেখ।” নিয়ত ও চিন্তার বারবার পুনরাবৃত্তির বিস্তারিত বিবরণ: ১. বিশেষভাবে লক্ষণীয় বিষয় (খটকার মূল জায়গা): ঝগড়ার ওই সময় তালাকের একই নিয়তই বারবার হচ্ছিল। অর্থাৎ, বাক্যটি বলার আগে থেকে মনের ভেতরে তালাকের চিন্তা ও নিয়তটি একবার হয়েই শেষ হয়ে যায়নি, বরং তা বারবার হচ্ছিল এবং একের পর এক তার পুনরাবৃত্তি ঘটছিল।একই নিয়তের পুনরাবৃত্তি হওয়া কালীন সময়ে বাক্যটি শুধু একবার বলা হয়েছে। নিয়তটি এমন ছিল,””তালাক হবে।/এই কেনায়া বাক্য বললে তালাক হবে।”” ২. মুখে কেনায়া বাক্যটি বলার সময় স্বামীর মনে সুনির্দিষ্ট “তিন (৩)” সংখ্যাটির কোনো নিয়ত বা ধারণা ছিল না। অর্থাৎ, ‘আমি তোমাকে তিন তালাক দিয়ে একবারে বিদায় করছি’—এমন কোনো সংখ্যার কথা মনে বা ধারণাতেও ছিল না। ৩. তবে তখন স্বামীর মনে শুধু তালাকের ওই একই নিয়ত ছিল এবং নিয়তটি বারবার হচ্ছিল। ৪. স্বামী মুখে এই বাক্যটি নিশ্চিতভাবে মাত্র একবারই উচ্চারণ করেছেন। মুখে তিনি বাক্যটি একাধিকবার বলেননি। বর্তমানে স্বামী-স্ত্রী উভয়েই নিজেদের ভুল বুঝতে পেরে শরিয়তসম্মত উপায়ে পুনরায় একসাথে সংসার করতে আগ্রহী। কিন্তু তাদের মনে তীব্র খটকা ও সংশয় তৈরি হয়েছে যে—মুখে শুধু একবার বললেও,বলার সময় মনের ভেতরে তালাকের নিয়তটি বারবার হবার কারণে শরিয়তের পরিভাষায় তালাকের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়ে ৩ তালাক (চূড়ান্ত বিচ্ছেদ) হয়ে গেল কি না? অতএব, শরিয়তের সঠিক মূলনীতি অনুযায়ী দয়া করে জানাবেন: ১.কিনায়া বাক্য বলার আগে বা বলার সময়ে মনে যতবার ঐ একই নিয়ত হয়েছে ততবারের উপর ভিত্তি করে কি মোট তত সংখ্যক বিচ্ছেদ কার্যকর হয়ে গেছে? ২.এই পরিস্থিতিতে কত সংখ্যক এবং কি প্রকার তালাক কার্যকর হয়েছে? ৩.তাদের কি একদম চুড়ান্ত বিচ্ছেদ অর্থাৎ ৩টি বিচ্ছেদ হয়ে গেছে? ৪.মুখের কেনায়া বাক্যের উচ্চারণ একবার থাকা অবস্থায় মনের ভেতর নিয়তের এই বারবার পুনরাবৃত্তি কি তালাকের সংখ্যা বেড়ে গেছে কি? ৫.তাদের জন্য পুনরায় শরিয়তসম্মত উপায়ে একসাথে সংসার শুরু করার সঠিক নিয়ম বা সুরত কী? ৬.এখন শরয়ী হালালা করা কি বাধ্যতামূলক?হালালা ছাড়া কি তারা আবার একত্রিত হতে পারবেন? ৭.স্ত্রী কি চিরতরে হারাম হয়ে গেছে কি? (উল্লেখ্য,এর আগে কখনোই তাদের মধ্যে এমন বিচ্ছেদ মূলক ঘটনা ঘটে নাই।এটাই প্রথমবার।তারা দুইজনেই হানাফি মাযহাব অনুসরণ কারী হুজুর) হুজুর কিছুদিন আগে এই ঘটনা ঘটে গেছে।কাউকে কিচ্ছু জিজ্ঞেসও করতে পারছে না ব্যক্তিটি।সারাদিন খালি এই ঘটনাটার কথা মনে আসতে থাকে।এই দু:শ্চিন্তায় রাত্রে ঘুমও হচ্ছে না হুজুর।স্বামীর মনে হচ্ছে এভাবে চলতে থাকলে আজীবন তো যিনার গুনাহতে গুনাহগার হতে থাকবে সে।বাচ্চাকাচ্চা হলেও তা জারজ হবে।এমন দুশ্চিন্তা হচ্ছে। শেষ অনুরোধ, কিভাবে ব্যাপারগুলো নিয়ে নিশ্চিত হবে আর কি করণীয় সেটা বলে দিবেন। অনুগ্রহ করে বিস্তারিত সমাধান দিয়ে তাদের মনের সমস্ত খটকা দূর করতে সাহায্য করবেন। Sorry, this entry is only available in Bengali.
আসসালামু আলাইকুম ১।স্ত্রীকে অনেক বকা আর বুঝানোর পর যদি বলে “এইগুলোর পরিণতি তুমার সংসার দ্বিখন্ডিত হবে।তখন তুমি হ্যা কে না করতে পারবে না।খুব সাবধান এই বিষয়গুলো নিয়ে”। এইটা স্ত্রীকে সাবধান করার জন্য বলেছে।শর্ত যুক্ত তালাকের উদ্দেশ্য নয়।এটা বুঝাতে চেয়েছে হয়ত শেষ পরিণতি হিসেবে পরে গিয়ে সংসার নাও টিকতে পারে কিন্ত স্ত্রী যদ্দুর বুঝেছে শর্ত যুক্ত তালাকের উদ্দেশ্যে বলে নি ।সাবধান করেছে এখন আপাতত।একবার ও তালাকের কথা বা ছেড়ে দেওয়ার কথা বলে নি কারন স্বামীও চায় সংসার করতে । তাহলে এটা কি শর্ত যুক্ত তালাকের পর্যায়ে পরবে?২। ১নং কথাটা বলার পর আরো ১০ ১২ মিনিট কথা হওয়ার পর মেসেজে আর কি স্বামী যদি বলে “কোনদিন যদি আমার চোখে এমন কিছু পরে যা আমি আগে বারন করছিলাম তাহলে সেকেন্ড বার আর সুযোগ পাবে না।” এখানে তহ তালাক হয়ে যাবে বলে নি বা কোনায়া কোন শব্দ বলে নি যেটা দ্বারা শর্ত যুক্ত তালাকের পর্যায়ে পরবে।একবার ও তালাকের কথা বা ছেড়ে দেওয়ার কথা বলে নি কারন স্বামীও চায় সংসার করতে। ।তাহলে স্বামীর উক্ত কথা কি শর্ত যুক্ত তালাকের পর্যায়ে পরবে? স্ত্রীর মনে হচ্ছে স্বামী সাবধান করতেছে। Sorry, this entry is only available in Bengali.
আসসালামু আলাইকুম।। নিচের কোনো কথার মাধ্যমে কি তালাক পতিত হবে? অনেক টেনশনে আছি১.একদিন আমার হাসবেন্ড এর সাথে মেসেজ এ কথা বলার সময় আমি কিছু প্রশ্ন করি।কিন্তু ও ওই দিনগুলিতে ডিপ্রেশন এ ছিলো। তখন ও বলে মানুষ কেমন দেখছো আমি কেমন টেনশনে আছি আমি জানি। তোমার যদি মনে হয় তোমার লাইফ বেশি নস্ট হইয়া যাইতাছে তুমি তোমার মতো থাকতে পারো।তখন আমি বলছি আমি তো তোমারে ছাইড়া যাওয়ার কথা বলি নাই ভাবিও নাই।আমি একবার ও বলছি? তখন ও বলে এটার সমাধান ওইটাই।পরে আমি বলছি আমি গেলেগা তুমি খুশি হইবা? বলছে না। তারপর আবার জিজ্ঞাসা করছি আমারে ছাড়তে চাও তুমি মন থেকে বলো। বলছে না।(এখানে ও আমি যদি চাই তাহলে ওরে ছেড়ে যাইতে পারি এই উদ্দেশ্য কথাগুলো বলেছিলো)২.আমি মাঝেমাঝে বলতাম তোমার বাবা মা বিয়ের আগে তো এই রকম কিছু বলে নাই।এখন কোথাও যাইতে দেয় না বাচ্চা নিতে দেয় না।আরো অনেককিছু বলতাম।তখন ও মজা কইরা বলতো তাইলে যাওগা।আবার ২/১ দিন মজা করে বলছে দেখো ভালো কেউরে খুঁজে পাও নাকি।তখন আমি বলতাম বিয়ের পরে এইকথা বলো নাকি।আমি খুঁজবো কেন তুমিই খুজো। এই কথাগুলো কোনোদিন তালাকের নিয়ত করে বলে নাই।।৩. আরেকদিক সকালে আমার বাড়ির মানুষ আমাকে অনেক কিছু বলছে। তখন আমি রাগ কইরা ওরে মেসেজ দিয়া বলছি বাড়িতে থেকে তো এই এই কথা বলতাছে।আরো কিছু বইলা ওরে জিজ্ঞাসা করছি তুমি কি চাও। বলছে আমার কিছুই চাওয়ার নাই।পরে আমি প্রশ্ন করছি তাইলে আমারে ছাইড়া যাইতে বলো? তখন ও অভিমান কইরা বলছে যাও তোমার ইচ্ছা। পরে আবার জিজ্ঞাসা করছি আমার ইচ্ছা না তুমি বলো তুমি চাও আমি যাইগা।বলছে তোমার যেইটা ভালো লাগে ওইটাই করোওইদিন রাতেই আমার কথায় কস্ট পেয়ে ও বলে তুমি ছাইড়া দেও আমারে ভালো থাকবা। তোমার ফ্যামিলি ও এটাই চায়।আমি ইদানীং কেনায়া তালাক নিয়ে অনেক ওয়াসওসায় আছি।।তাই দয়া করে যদি বলতেন এইসব কথার মাধ্যমে কি কোনো সমস্যা হবে? Sorry, this entry is only available in Bengali.
আসসালামুয়ালাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ, বাসায় আমাদের স্বামী স্ত্রীর মধ্যে আমার স্ত্রীর বিভিন্ন সাংসারিক চাহিদার বিষয়ে কথা কাটাকাটি হচ্ছিল। তো কানের কাছে ঘেনর ঘেনর বিরক্ত লাগছিল। হঠাৎ মুখ থেকে বের হলো তুই বাড়িত যাবিগা (কারণ বাড়িতে থাকলে ঝগড়া হয় না এই উদ্দেশ্যেই বলা)।কথাটা বলার পর আমিই আশ্চর্য হয়েছি এটা কি বললাম,যেহেতু হঠাৎ মুখ থেকে বের হয়েছে তাই মনে কোনই নিয়ত ছিলনা এট আমার দিল বলে)। বলার পর ভয়ে ভয়ে সাথে সাথে আমি মোবাইলে সার্চ করলাম এই কথায় কোন সমস্যা হলো কিনা? দয়া করে উত্তর জানাবেন। জাজাকাল্লাহ। Sorry, this entry is only available in Bengali.