প্রশ্ন : আসসালা-মু আ’লাইকুম। হযরত ১। ফরজ গোসলের সময় নাভীতে পানি পৌঁছনো কি জরুরী? রোযাবস্থায় করলে কি রোযা ভেঙ্গে যাবে? যদি রোযা ভেঙ্গে যায় তাহলে এক্ষেত্রে শরীআ’তের হুকুম কী? ২। ফরজ গোসলের ক্ষেত্রে বড় ইস্তিঞ্জা সারার পর কিন্তু গোসলের সময় পুনরায় পায়খানার রাস্তায় পানি পৌঁছাতে হবে? তা না করলে কি গোসল আদায় হবে না? ৩। ইস্তিঞ্জাখানায় প্রবেশের পূর্বে যে দুআ’ সেখানে কি ‘খুবুসি’ পড়তে হবে, না কি ‘খুবসি’ পড়তে হবে? বেহেশতি জেওর কিতাবে ‘খুবুসি’ পেয়েছি। ৪। আপনাকে প্রশ্ন পাঠাতে attachment এর ব্যবস্থা থাকলে ভালো হতো।

উত্তর :

ওয়া আলাইকুমুস সালাম
১। হ্যাঁ, ফরজ গোসলে নাভিতে পানি পৌঁছানো জরুরী। নাভিতে আঙ্গুল দিয়ে ডলাডলি করে পানি পৌঁছাবে।
আর এর দ্বারা রোযার কোন ক্ষতি হবে না।
২। পায়খানার রাস্তার ভিতরে তো পানি পৌঁছানো জরুরী নয় তবে বাইরের পুরো অংশে পানি পৌঁছাতে হবে। কাজেই পায়খানার রাস্তার বাইরের আশপাশের কিছুটা অংশ যেটা স্বাভাবিক অবস্থায় (এক পাছার সাথে অন্যটি) লেগে থাকে তা ধৌত করা জরুরী। বিষয়টা এভাবে বুঝানো যেতে পারে মানুষ পেশাব পায়খানার জন্য নিচে বসলে যতটুকু অংশ প্রকাশ পায় গোসলে ততটুকু ধৌত করা জরুরী।
তবে গোসলের পূর্বে বড় ইস্তেঞ্জা করে ভালোভাবে পানি ব্যবহার করে থাকলে গোসলের সময় ধৌত না করলেও ফরজ গোসল আদায় হয়ে যাবে। যদিও গোসলের সময় পুনরায় ধৌত করা উত্তম।
৩। বা হরফে পেশ হবে অর্থাৎ খুবুছি।
৪। আচ্ছা admin কে বলে ব্যবস্থা নেওয়ার চেষ্টা করব ইংশাআল্লাহ।

সম্পুরক প্রশ্নঃ আসসালামু আলাইকুম। হয‍রত, বেহেশতি জেওরে দুআটি ‘খুবসি’ পেয়েছি। ঐ প্রশ্নে আমি উল্টো তথ্য দিয়েছিলাম। আপনি বলেছেন ‘খুবুসি’ পড়ার জন্য। অনুরোধ রইলো বেহেশতি জেওর কিতাবটি আরেকবার দেখার জন্য এবং কোনটি পড়তে হবে সেটা একটু মেহেরবানী করে জানানোর জন্য।
উত্তরঃ ওয়া আলাইকুমুস সালাম
খুবুছি পড়াই অধিক উত্তম। যদিও খুবছি পড়া জায়েয।–ফাতহুল বারী ১/২৪৩; উমদাতুল কারী ৫/৭

Loading